মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশ: ২৩:২৪, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চরম দুর্ভোগে মানুষ 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া স্টেশনে  নেই যাত্রী ছাউনি 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া স্টেশনে  নেই যাত্রী ছাউনি 

ছবি সংগৃহীত

১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রুহিয়া রেলস্টেশনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। এখান থেকে রুহিয়া, আটোয়ারী ও বালিয়াডাঙ্গী এই তিন উপজেলার হাজারো মানুষ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। 
দিনাজপুর-পঞ্চগড় ডুয়েলগেজ রুটে চলাচলকারী একতা, দ্রুতযান, দোলনচাঁপা ও বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের স্টপেজ থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী এই স্টেশনে ওঠানামা করেন। তবে স্টেশনে যাত্রী ছাউনি না থাকায় তীব্র রোদ ও বৃষ্টিতে ভিজে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যাত্রী ছাউনি এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পৃথক বিশ্রামাগার না থাকায় খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। প্ল্যাটফর্মের বসার আসনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা। ক্রসিংয়ের সময় অধিকাংশ ট্রেন ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ালেও সেখানে প্ল্যাটফর্ম ও ওভারব্রিজ নেই। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীরা ওঠানামায় মারাত্মক কষ্টে পড়েন। 
ঢাকাগামী একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেসে মাত্র ২৫টি আসন বরাদ্দ রয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় খুব কম। এসিসহ কমপক্ষে ২০০টি আসন বরাদ্দ এবং বিরতিহীন ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’-এর স্টপেজের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা খায়রুল বাশার, আবুল হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে। 
রুহিয়া রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার (গ্রেড-৪) মো. নাজমুল হোসেন জানান, সেবা বাড়াতে দ্রুত যাত্রী ছাউনি ও প্ল্যাটফর্ম সম্ক্রসারণ জরুরি। 
অন্যদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের (দিনাজপুর) বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাকিব হাসান জানান, রুহিয়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এক্সটেনশন ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। 
কর্তৃপক্ষের এই আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়িত হলে রুহিয়া স্টেশনটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক ও ভরসাস্থল হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা যাত্রীদের।