বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

নভেম্বরের ডেডলাইন: শ্রমিকদের দক্ষতার হিসাব না কষেই এলডিসি পেরোচ্ছে বাংলাদেশ

নভেম্বরের ডেডলাইন: শ্রমিকদের দক্ষতার হিসাব না কষেই এলডিসি পেরোচ্ছে বাংলাদেশ

​​​​​​​গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন রহিমা খাতুন। গত দশ বছর ধরে একই সেলাই মেশিনে তার দিন কাটে। রহিমার মতো লাখ লাখ শ্রমিকের ঘামে ভর করেই বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ এক নতুন মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর—দিনটি বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে। কারণ ওইদিন স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পা রাখবে বাংলাদেশ।  খবরটি নিঃসন্দেহে দারুণ। কিন্তু উদযাপনের এই ডামাডোলের আড়ালে একটা বড় বিপদ লুকিয়ে আছে। রহিমাদের মতো যে লাখো শ্রমিকের ওপর ভর করে আমরা এই নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি, সেই শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা কী? তারা কি আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত?

পাসপোর্ট আছে, দক্ষতা নেই: কারিগরি শিক্ষার দৈন্যদশায় আমরা কেন কেবল ‘লেবার’ পাঠাচ্ছি, ‘এক্সপার্ট’ নয়

পাসপোর্ট আছে, দক্ষতা নেই: কারিগরি শিক্ষার দৈন্যদশায় আমরা কেন কেবল ‘লেবার’ পাঠাচ্ছি, ‘এক্সপার্ট’ নয়

​​​​​​​দুবাইয়ের তীব্র গরমে যখন ঘাম মুছছিলেন শফিক, তখন পাশ দিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন ফিলিপাইনের এক যুবক। দুজনেই একই কোম্পানিতে কাজ করেন। শফিক কাজ করেন নির্মাণশ্রমিক বা ‘লেবার’ হিসেবে, মাস শেষে পান ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার। আর ফিলিপাইনের সেই যুবক কাজ করেন সুপারভাইজার বা টেকনিশিয়ান হিসেবে, যার বেতন শফিকের প্রায় পাঁচ থেকে ছয়গুণ। অথচ শফিক কিন্তু বোকা বা অলস নন। তার অভাব শুধু একটি জায়গাতে তার কোনো কারিগরি দক্ষতা বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেট নেই।

\