বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

রামিসা রহমান

প্রকাশ: ২২:৫৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:০৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনএভির চেয়ে ৫৪.৭৫ শতাংশ কম দর

ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন

এনএভির চেয়ে ৫৪.৭৫ শতাংশ কম দর

শেয়ার বিজ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন নিরীক্ষক। ফান্ডটির ইউনিটের ছয় মাসের গড় বাজারদর ন্যায্যমূল্যে নির্ধারিত নিট সম্পদমূল্যের (এনএভি) চেয়ে ৫৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম থাকলেও ইউনিটধারীদের সভা আহ্বান করা হয়নি। এ কারণে আর্থিক হিসাবের ওপর আপত্তি জানিয়েছেন নিরীক্ষক।

ফান্ডটির আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করে এ মতামত দিয়েছেন এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোংয়ের অংশীদার হারুন মাহমুদ। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফান্ডটির ইউনিটের ছয় মাসের গড় লেনদেনমূল্য ছিল চার টাকা। বিপরীতে ন্যায্যমূল্যে নির্ধারিত এনএভির সঙ্গে এ বাজারদরের ব্যবধান ছিল ৫৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সীমার তুলনায় বাজারদর ও এনএভির ব্যবধান উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।

নিরীক্ষকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০২৫-এর ২৪(১৫)(ঙ) ধারায় বাজারদর ও এনএভির মধ্যে নির্ধারিত ব্যবধানের সীমা ২৫ শতাংশ। কিন্তু ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে এ ব্যবধান ছিল ৫৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ বিধিতে নির্ধারিত সীমার তুলনায় ব্যবধান ছিল দ্বিগুণেরও বেশি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ট্রাস্টির ইউনিটধারীদের সভা আহ্বানের কথা। সভায় বাজারদর ও এনএভির মধ্যে অস্বাভাবিক ব্যবধানের বিষয়টি ইউনিটধারীদের সামনে তুলে ধরা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকার কথা। কিন্তু ফান্ডটির ক্ষেত্রে সেই সভা আহ্বান করা হয়নি বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ কারণে বিষয়টিকে আর্থিক হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম হিসেবে তুলে ধরেছেন নিরীক্ষক। তবে নিরীক্ষকের আপত্তি মূলত বিধি অনুযায়ী ইউনিটধারীদের সভা না ডাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে; এর মাধ্যমে ফান্ডের সম্পদ বা লেনদেনে কোনো কারসাজি হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত নিরীক্ষক দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উঠে আসা এই বিষয়টি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন ফান্ডটির ইউনিটদরে পুঁজিবাজারে ব্যাপক উত্থান দেখা গেছে। সর্বশেষ ছয় মাসে ফান্ডটির ইউনিটদর বেড়েছে প্রায় ২২০ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে এটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির ঘটনাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।

ফান্ডটির ইউনিটদর বর্তমানে ১৭ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অথচ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আলোচিত ছয় মাসের গড় লেনদেনমূল্য ছিল মাত্র চার টাকা। অর্থাৎ নিরীক্ষার আওতায় থাকা সময়ের গড় বাজারদরের তুলনায় পরবর্তী সময়ে ইউনিটটির বাজারদরে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

সামপ্রতিক সময়ে ফান্ডটির ইউনিটদর বৃদ্ধির বিষয়টি বাজারেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে ইউনিটটির অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ফান্ড কর্তৃপক্ষের কাছে দরবৃদ্ধির কারণ জানতে চাওয়া হলে তারা কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য থাকার কথা অস্বীকার করেছিল।

তবে নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি সামপ্রতিক দরবৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। একইভাবে ইউনিটদরের সামপ্রতিক উত্থানের পেছনে কোনো অনিয়ম বা কারসাজি রয়েছে কি না, সেটিও কেবল দরবৃদ্ধির তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় না।

নিরীক্ষকের আপত্তির কেন্দ্রে রয়েছে মূলত বাজারদর ও এনএভির ব্যবধান এবং সেই পরিস্থিতিতে ইউনিটধারীদের সভা না করার বিষয়টি। মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে এনএভি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কারণ ফান্ডের হাতে থাকা বিনিয়োগ, নগদ অর্থ ও অন্যান্য সম্পদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি সম্পদের মূল্য নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে বাজারদর নির্ভর করে পুঁজিবাজারে ওই ইউনিটের চাহিদা ও জোগানের ওপর।

ফলে একটি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের বাজারদর ও এনএভির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হলে বিষয়টি ইউনিটধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ কারণেই মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালায় নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে ইউনিটধারীদের সভা আহ্বানের বিধান রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

নিরীক্ষকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ফান্ডটির ক্ষেত্রে ছয় মাসের গড় লেনদেনমূল্য ছিল চার টাকা। একই সময়ে ন্যায্যমূল্যে নির্ধারিত এনএভির তুলনায় এই দর ৫৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম ছিল। অথচ বিধিমালায় নির্ধারিত সীমা ২৫ শতাংশ। ফলে বিধি অনুযায়ী ট্রাস্টির পক্ষ থেকে ইউনিটধারীদের সভা আহ্বানের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন কোনো সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে ইউনিটধারীদের সামনে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। এ কারণেই নিরীক্ষক তার প্রতিবেদনে আপত্তির বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে কোনো বিধি লঙ্ঘনের বিষয় উঠে এলে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে আসা স্বাভাবিক। বিশেষ করে কোনো ফান্ডের বাজারদর ও এনএভির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকলে ইউনিটধারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এদিকে ফান্ডটির সামপ্রতিক দরবৃদ্ধির দিকে তাকালে পরিস্থিতিটি আরও আলোচনায় আসে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে চার টাকা গড় দর থেকে ইউনিটের বাজারদর ১৭ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। ছয় মাসে ২২০ শতাংশ দরবৃদ্ধি হওয়ায় ফান্ডটি পুঁজিবাজারের আলোচিত তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের একটি হয়ে উঠেছে।

তবে বাজারে কোনো ইউনিটের দর দ্রুত বাড়লেই সেটিকে সরাসরি অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত করা যায় না। কোনো সিকিউরিটিজের বাজারদর বাড়ার পেছনে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা, বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা, তারল্যসহ বিভিন্ন বিষয় কাজ করতে পারে। তাই সামপ্রতিক দরবৃদ্ধি এবং নিরীক্ষকের আপত্তি—দুই বিষয়কে আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এর আগে ফান্ডটির আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও বাজারে আগ্রহ দেখা গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ফান্ডটির ইউনিটধারীদের কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এ সময় কয়েকটি মিউচুয়াল ফান্ডের সঙ্গে ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডও লভ্যাংশ না দেওয়া ফান্ডগুলোর তালিকায় ছিল।

অন্যদিকে ফান্ডটির এনএভি ও বাজারদরের ব্যবধানও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি ছিল ১২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং বাজারদর ছিল ৭ টাকা ৮৯ পয়সা।  পরবর্তী সময়ে বাজারদরে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেলেও নিরীক্ষকের আলোচ্য সময়ে বাজারদর ও ন্যায্যমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান ছিল।

এ অবস্থায় নিরীক্ষকের আপত্তি ফান্ডটির পরিচালন কাঠামো ও বিধি পরিপালনের ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে ইউনিটধারীদের সভা আহ্বানের বিধান থাকা সত্ত্বেও তা করা না হলে কেন করা হয়নি, সেই ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য দায়িত্বশীল পক্ষ বিধি পরিপালনে কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটিও নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যালোচনার বিষয় হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা ও বিধি পরিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা দেখা দিলে তা যথাযথভাবে ব্যাখ্যা ও প্রতিকারের উদ্যোগ নেওয়া হলে ইউনিটধারীদের আস্থা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি জোরদার হলে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সুশাসনও শক্তিশালী হতে পারে।

ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে এখন মূল নজর থাকবে নিরীক্ষকের আপত্তির বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। বিশেষ করে ২৫ শতাংশের সীমা অতিক্রম করে ৫৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ ব্যবধান তৈরি হওয়ার পর কেন ইউনিটধারীদের সভা ডাকা হয়নি, তার ব্যাখ্যা এবং বিধি অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় কী হবে—সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের কোম্পানি সচিব শাশ্বত কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম শেয়ার বিজকে বলেন, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে কোনো বিধি লঙ্ঘনের বিষয় উঠে এলে কমিশন তা পর্যালোচনা করবে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও পরিস্থিতি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ আল-আমিন শেয়ার বিজকে বলেন, কোনো মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের বাজারদর যদি দীর্ঘ সময় ধরে প্রকৃত সম্পদমূল্যের তুলনায় বড় ব্যবধানে নিচে থাকে, তাহলে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও ফান্ডের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিধিতে নির্ধারিত সীমার চেয়ে ব্যবধান বেশি হলে ইউনিটধারীদের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ট্রাস্টির দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে পরবর্তী সময়ে ইউনিটের দরে বড় ধরনের উত্থান হলে এর পেছনে বাজারভিত্তিক কারণ, ফান্ডের সম্পদমূল্য এবং লেনদেনের ধরন—সবকিছুই স্বচ্ছভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সামপ্রতিক ২২০ শতাংশ দরবৃদ্ধির বিষয়টিও বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। পুঁজিবাজারে কোনো ফান্ডের ইউনিটদর দ্রুত বাড়লে বিনিয়োগকারীদের জন্য ফান্ডটির প্রকৃত সম্পদমূল্য, আর্থিক হিসাব, লভ্যাংশ ইতিহাস ও বাজারদরের সঙ্গে এনএভির ব্যবধান বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাজারদর এবং অন্তর্নিহিত সম্পদমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকলে বিনিয়োগের ঝুঁকি ও প্রত্যাশিত রিটার্ন—দুই বিষয়ই আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হয়।

ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে আসা আপত্তি এবং একই সময়ে ইউনিটদরের বড় উত্থান ফান্ডটিকে পুঁজিবাজারের আলোচনায় নিয়ে এসেছে। একদিকে বিধি অনুযায়ী ইউনিটধারীদের সভা না ডাকার বিষয়টি নিরীক্ষকের আপত্তির কারণ হয়েছে, অন্যদিকে ছয় মাসে ২২০ শতাংশ দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিষয়টির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।