পলাতক আসামির পলায়ন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কড়া নিরাপত্তা
ছবি: সংগৃহীত
বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আটক এক আসামি গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তার সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সীমান্তের ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় জনবল ও টহল বাড়ানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বিজিবি সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানে হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আটক আসামি পিচ্চি রাজা কোনাবাড়ী, গাজীপুর এলাকা থেকে পালিয়ে যান। এরপর তিনি যাতে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার কোনো স্থান দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে যেতে না পারেন, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সীমান্তের ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় দিনে ও রাতে টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে সতর্ক অবস্থায় টহল পরিচালনার পাশাপাশি সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো সীমান্তজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক আসামি যাতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশে যেতে না পারেন, সে জন্য সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সীমান্তের ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে চলছে তল্লাশি।
এরপর তিনি যাতে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে সীমান্তজুড়ে বাড়ানো হয় নিরাপত্তাব্যবস্থা।
বিজিবি জানিয়েছে, ৫৪ কিলোমিটার সীমান্তে দিনে ও রাতে টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সতর্ক অবস্থায় নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। পাশাপাশি সম্ভাব্য গতিবিধি শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি বিশেষ অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি যাতে দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশে যেতে না পারেন, সে জন্য সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।