বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

​​​​​​​নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০০:০৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

১৩০% লভ্যাংশ দেবে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

১৩০% লভ্যাংশ দেবে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

ছবি সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগের হিসাব বছরের তুলনায় কোম্পানিটির ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের হার বেড়েছে ১০ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে ৩১ টাকা ২৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের হিসাব বছরে এ আয় ছিল ২৭ টাকা ৪ পয়সা। ফলে লভ্যাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়েও প্রবৃদ্ধির চিত্র উঠে এসেছে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনের কথা রয়েছে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর প্রযোজ্য নিয়ম অনুসারে লভ্যাংশ বিতরণের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ঘোষিত লভ্যাংশের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশের হার ক্রমান্বয়ে বাড়িয়েছে। ২০২১-২২ হিসাব বছরে ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পর ২০২২-২৩ হিসাব বছরে তা বাড়িয়ে ১০৫ শতাংশ করা হয়। পরবর্তী ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ১১০ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে ১২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের জন্য এ হার আরও বাড়িয়ে ১৩০ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, পাঁচটি হিসাব বছরের ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটির ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের হার ১০০ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে লভ্যাংশের হার বেড়েছে ১০ শতাংশ পয়েন্ট। আর ২০২১-২২ হিসাব বছরের তুলনায় সর্বশেষ হিসাব বছরে লভ্যাংশের হার বেড়েছে ৩০ শতাংশ পয়েন্ট। পুঁজিবাজারে নিয়মিত নগদ লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানি হিসেবে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের এই ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে লভ্যাংশের হার বৃদ্ধির পাশাপাশি কোম্পানিটির আয়, মুনাফা, নগদ প্রবাহ এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্ভাবনাও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। কারণ, একটি কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতা দীর্ঘ মেয়াদে তার ব্যবসার আর্থিক ভিত্তি ও মুনাফার স্থায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।

কোম্পানিটির প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচটি হিসাব বছরে নগদ লভ্যাংশ ও শেয়ারপ্রতি আয়ের চিত্রে ধারাবাহিক পরিবর্তন দেখা গেছে।

২০২৫-২৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে এ আয় ছিল ২৭ টাকা ৪ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৪ টাকা ২০ পয়সা।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ২৩ টাকা ৬১ পয়সা, যা তার আগের ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ছিল ২১ টাকা ৪১ পয়সা। আর ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ২০ টাকা ৫১ পয়সা।

তথ্যগুলোতে দেখা যায়, পাঁচ বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের হার বেড়েছে এবং শেয়ারপ্রতি আয়ও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশেষ করে সর্বশেষ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ৩০ টাকার সীমা অতিক্রম করেছে।

তবে লভ্যাংশের হার ও শেয়ারপ্রতি আয়ের মধ্যে সরাসরি এক-এক অনুপাতে সম্পর্ক রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কোম্পানির মুনাফা, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা, নগদ অর্থের প্রাপ্যতা এবং পরিচালনা পর্ষদের লভ্যাংশ নীতিসহ বিভিন্ন বিষয় এ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে।

২০২৫-২৬ হিসাব বছরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় আগের হিসাব বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে ২৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে বেড়ে সর্বশেষ হিসাব বছরে তা ৩১ টাকা ২৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে প্রায় ১৫.৫ শতাংশ। অর্থাৎ, আগের হিসাব বছরের তুলনায় প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে কোম্পানিটির আয় বৃদ্ধির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগের বছরগুলোতেও শেয়ারপ্রতি আয়ে প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ২১ টাকা ৪১ পয়সা থেকে পরের হিসাব বছরে তা বেড়ে ২৩ টাকা ৬১ পয়সা হয়। আবার ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ২৭ টাকা ৪ পয়সায় উন্নীত হয়।

শেয়ারপ্রতি আয় একটি কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট হিসাব বছরে সাধারণ শেয়ারপ্রতি কত আয় হয়েছে, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে ইপিএস বাড়লেই কোম্পানির সব আর্থিক সূচকে সমান হারে উন্নতি হয়েছে, এমনটি ধরে নেওয়া যায় না। এ জন্য মোট রাজস্ব, পরিচালন মুনাফা, কর-পরবর্তী নিট মুনাফা, নগদ প্রবাহ ও ঋণের অবস্থাও বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ক্ষেত্রেও সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মুনাফা বৃদ্ধির উৎস ও ব্যবসার বিভিন্ন বিভাগের অবদান সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাবে।

লভ্যাংশ ও শেয়ারপ্রতি আয়ের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যেও (এনএভিপিএস) ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭৮ টাকা ৯৯ পয়সা।

আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের শেষে, অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ১৫৭ টাকা ৮৮ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এনএভিপিএস বেড়েছে ২১ টাকা ১১ পয়সা।

এর আগের হিসাব বছরগুলোতেও এ সূচকে বৃদ্ধি দেখা গেছে। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৪২ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে তা ছিল ১২৯ টাকা ৯৫ পয়সা। আর ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ১১৬ টাকা ৭০ পয়সা।

এনএভিপিএস সাধারণত কোম্পানির নিট সম্পদের বিপরীতে শেয়ারপ্রতি হিসাবভিত্তিক মূল্য নির্দেশ করে। কোম্পানির সম্পদ থেকে দায় বাদ দিয়ে শেয়ারসংখ্যার ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে এ সূচকের পরিবর্তন কোম্পানির সম্পদভিত্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে।

তবে এনএভিপিএসকে শেয়ারের বাজারমূল্যের সমতুল্য হিসেবে দেখা উচিত নয়। বাজারে একটি শেয়ারের দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা-সরবরাহ, কোম্পানির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, আর্থিক ফলাফল এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ভিত্তিতে। তাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে এনএভিপিএসের পাশাপাশি বাজারদর ও অন্যান্য মৌলিক সূচকও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল) এ রেটিং প্রত্যয়ন করেছে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে।

ক্রেডিট রেটিং একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি রেটিং এবং স্বল্পমেয়াদি রেটিং ভিন্ন মেয়াদের দায় পরিশোধের সক্ষমতা মূল্যায়নে ব্যবহূত হয়।

তবে রেটিংকে শেয়ারে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। ঋণমানের মূল্যায়ন এবং শেয়ারের বিনিয়োগঝুঁকি এক বিষয় নয়। একটি কোম্পানির ঋণমান ভালো হলেও তার শেয়ারের বাজারদর কমতে পারে। আবার বাজারদর বাড়লেই কোম্পানির আর্থিক ঝুঁকি কমেছে, এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো যায় না।

এ কারণে বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির ঋণমানের পাশাপাশি আয়, নগদ প্রবাহ, সম্পদ, দায়, লভ্যাংশের ধারাবাহিকতা এবং শেয়ারের বর্তমান মূল্যায়ন বিবেচনা করা উচিত।

১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১২ হাজার ৯০৫ কোটি ৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ৮৮ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার ১০টি।

কোম্পানিটির শেয়ার মালিকানার ধরনেও বিভিন্ন শ্রেণির বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ রয়েছে। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার। বাকি ২৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

মালিকানার এ বিন্যাস থেকে দেখা যায়, কোম্পানিটির শেয়ারে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ রয়েছে। তবে মালিকানার ধরন দিয়ে এককভাবে কোম্পানির ভবিষ্যৎ শেয়ারদর কিংবা বিনিয়োগের সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায় না।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সর্বশেষ হিসাব বছরের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট ঘোষণা। এর সঙ্গে শেয়ারপ্রতি আয় ও নিট সম্পদমূল্য বৃদ্ধির তথ্যও কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থার মূল্যায়নে প্রাসঙ্গিক।

তবে লভ্যাংশের হারকে বিনিয়োগ থেকে সম্ভাব্য মুনাফার সঙ্গে সরাসরি মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না। নগদ লভ্যাংশের শতাংশ সাধারণত শেয়ারের অভিহিত মূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়; বাজারদরের ভিত্তিতে নয়। ফলে একজন বিনিয়োগকারী প্রকৃতপক্ষে কত শতাংশ লভ্যাংশ-আয় পাবেন, তা নির্ভর করবে তিনি কত দামে শেয়ারটি কিনেছেন তার ওপর।

এ ছাড়া লভ্যাংশ ঘোষণার পর শেয়ারের বাজারদরে পরিবর্তন ঘটতে পারে। তাই শুধু ঘোষিত লভ্যাংশের ভিত্তিতে শেয়ার কেনা বা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, শেয়ারপ্রতি আয়, নিট সম্পদমূল্য, নগদ প্রবাহ এবং বর্তমান বাজারদর একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের ঘোষণায় লভ্যাংশের হার ১২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩০ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ২৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৩১ টাকা ২৪ পয়সায় এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ১৫৭ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে বেড়ে ১৭৮ টাকা ৯৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। কোম্পানিটির ঘোষিত লভ্যাংশ এখন শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এজিএমের সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ভিত্তিতে লভ্যাংশ বিতরণসংক্রান্ত বিষয়গুলো চূড়ান্ত হবে।