ডমিনেজের মালিকানায় আকিজ রিসোর্স, পুনর্গঠিত নতুন পর্ষদ
ছবি সংগৃহীত
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস পিএলসির মালিকানা পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্কন্ন হয়েছে। কোম্কানিটির বিদায়ী উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে থাকা মোট ৩ কোটি ৭ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার নতুন মালিকদের কাছে হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে কোম্কানিটির মালিকানা কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। এসব শেয়ার ডমিনেজ স্টিলের মোট শেয়ারের ৩০ দশমিক ০১ শতাংশ। শেয়ার হস্তান্তরের পাশাপাশি পুরোনো পরিচালনা পর্ষদের বিদায় এবং নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে কোম্কানিটির ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন এসেছে।
নতুন মালিকানায় সবচেয়ে বড় অংশ পেয়েছে আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেড। কোম্কানিটির মোট শেয়ারের প্রায় ২৮ দশমিক ০১ শতাংশ বা ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৬ হাজার শেয়ার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে শেখ জসিম উদ্দিন ও ফারিয়া হোসাইন প্রত্যেকে পেয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার করে শেয়ার, যা কোম্কানিটির মোট শেয়ারের ২ শতাংশ করে।
গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইটে ডমিনেজ স্টিলের মালিকানা পরিবর্তন ও নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর আগে রোববার কোম্কানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় শেয়ার হস্তান্তর সম্কন্ন হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়।
কোম্কানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়টি রেকর্ড করা হয়। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) উপবিধির ১১ দশমিক ৬ ধারা অনুযায়ী ‘ম্যাচড ট্রানজেকশন’ হিসেবে অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডমিনেজ স্টিলের মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মোট ৩ কোটি ৭ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার হস্তান্তর করা হয়েছে। কোম্কানিটির মোট শেয়ারের হিসাবে এ অংশ ৩০ দশমিক ০১ শতাংশ। এর মধ্যে আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেড একাই পেয়েছে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৬ হাজার শেয়ার। ফলে ডমিনেজ স্টিলে নতুন মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশীদার হয়েছে আকিজ রিসোর্সেস।
এ ছাড়া শেখ জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার শেয়ার। কোম্কানিটির মোট শেয়ারের হিসাবে এর পরিমাণ ২ শতাংশ। একই পরিমাণ ২০ লাখ ৫২ হাজার শেয়ার পেয়েছেন ফারিয়া হোসাইন। তার অংশও কোম্কানিটির মোট শেয়ারের ২ শতাংশ।
শেয়ার হস্তান্তরের ফলে ডমিনেজ স্টিলের মালিকানা কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এর পাশাপাশি কোম্কানিটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নতুন ব্যক্তিদের হাতে গেছে।
ডমিনেজ স্টিলের শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্কন্ন হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রক ও স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন দেয়। পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ গত ১ অক্টোবর ২০২৬ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদনের পর সিডিবিএলের মাধ্যমে অফ-মার্কেট লেনদেনে শেয়ার স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্কন্ন হয়। এরপর কোম্কানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়।
ফলে ডমিনেজ স্টিলের মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্কন্ন হয়েছে। এর সঙ্গে পুরোনো পরিচালনা পর্ষদের বিদায় এবং নতুন পর্ষদের দায়িত্ব গ্রহণও কার্যকর হয়েছে।
মালিকানা পরিবর্তনের পর ডমিনেজ স্টিলের আগের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদেরও বিদায় হয়েছে। কোম্কানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকৌশলী মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সুজিত সাহা, আবুল কালাম ভূঁইয়া এবং রাকিবুল ইসলামের পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ ও অবসর গ্রহণ রোববার দিনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়েছে।
অর্থাৎ নতুন মালিকানার সঙ্গে কোম্কানির পুরোনো পরিচালনা পর্ষদেরও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্কর্কের অবসান ঘটেছে। এর ফলে ডমিনেজ স্টিল এখন নতুন পরিচালনা পর্ষদের অধীনে পরিচালিত হবে।
মালিকানা পরিবর্তনের সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের পরিবর্তন আসায় কোম্কানিটির ব্যবসায়িক ও পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন পর্ষদ এখন কোম্কানিটির ব্যবসা পরিচালনা, উৎপাদন কার্যক্রম, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে দায়িত্ব পালন করবে।
ডমিনেজ স্টিলের নতুন পরিচালনা পর্ষদে শেখ জসিম উদ্দিনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফারিয়া হোসাইনকে দেওয়া হয়েছে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব।
এ ছাড়া আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেডের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. শেখ সাদী এবং শোভ্রতা কুমার রায়।
নতুন পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে ডমিনেজ স্টিলের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় এখন নতুন নেতৃত্ব এসেছে। বিশেষ করে আকিজ রিসোর্সেসের বড় অংশের মালিকানা গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানটির মনোনীত পরিচালকদের পর্ষদে যুক্ত হওয়ার ফলে কোম্কানিটির ভবিষ্যৎ পরিচালনায় আকিজ রিসোর্সেসের প্রভাব বাড়বে।
মালিকানা পরিবর্তনের পর নতুন ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হবে কোম্কানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে স্থিতিশীল করা এবং উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো। কোম্কানির পরিচালনা পর্ষদও আশা করছে, নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে সাম্ক্রতিক পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ডমিনেজ স্টিল উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করতে পারবে।
মালিকানা ও পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তনের পাশাপাশি ডমিনেজ স্টিলের আগের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে আইপিও অর্থ ব্যবহারে একাধিক অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপের বিষয়টি কোম্কানিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ডমিনেজ স্টিলের আইপিও অর্থ ব্যবহারে একাধিক অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলে (এফআরসি) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।
একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনে উঠে আসা মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত বিষয় অধিকতর তদন্তের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টে (সিআইডি) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ কোম্কানিটির মালিকানা পরিবর্তনের সময়েই আগের ব্যবস্থাপনার আমলের আইপিও অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি সামনে রয়েছে। এ কারণে নতুন মালিকানা ও পর্ষদের জন্য কোম্কানির পরিচালনা কাঠামোকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে আইপিও অর্থ ব্যবহারে যেসব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও প্রক্রিয়া সম্কন্ন না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান স্কষ্ট হবে।
ডমিনেজ স্টিলের মালিকানা পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কোম্কানিটির নতুন ব্যবস্থাপনা। এতদিন যারা কোম্কানিটির পরিচালনা ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত ছিলেন, তাদের পরিবর্তে এখন নতুন নেতৃত্ব এসেছে।
শেখ জসিম উদ্দিন চেয়ারম্যান এবং ফারিয়া হোসাইন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কোম্কানিটির নেতৃত্ব দেবেন। একই সঙ্গে আকিজ রিসোর্সেসের মনোনীত তিন পরিচালক পর্ষদে যুক্ত হওয়ায় নতুন ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোও স্কষ্ট হয়েছে।
কোম্কানিটির পরিচালনা পর্ষদের সামনে এখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি সচল করা, ব্যবসার পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠা, কোম্কানির আর্থিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে নিয়মিত ও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করা।
বিশেষ করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্কানি হিসেবে ডমিনেজ স্টিলের জন্য করপোরেট গভর্ন্যান্স ও তথ্য প্রকাশের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে কোম্কানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয় এবং পূর্বের সমস্যাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা হয়, সেদিকেই এখন নজর থাকবে বিনিয়োগকারীদের।
ডমিনেজ স্টিলের নতুন মালিকানায় আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেডের অংশগ্রহণ কোম্কানিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে আকিজ রিসোর্সেসের স্টিল ও নির্মাণশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে।
ডমিনেজ স্টিলে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬৬ হাজার শেয়ার পাওয়ার মাধ্যমে কোম্কানিটির মোট শেয়ারের প্রায় ২৮ দশমিক ০১ শতাংশের মালিক হয়েছে আকিজ রিসোর্সেস। ফলে নতুন মালিকানায় সবচেয়ে বড় অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান তৈরি হয়েছে।
আকিজ রিসোর্সেসের চেয়ারম্যান ফারিয়া হোসাইন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জসিম উদ্দিন। ডমিনেজ স্টিলের নতুন পর্ষদেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে সরাসরি সমন্বয় তৈরি হয়েছে।
মালিকানা পরিবর্তনের পর ডমিনেজ স্টিলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্যগুলোর একটি হলো উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করা। কোম্কানির পরিচালনা পর্ষদ আশা করছে, নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে সাম্ক্রতিক পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠে ডমিনেজ স্টিল তার উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করতে পারবে।
নতুন মালিকানা থেকে কোম্কানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিশেষ করে নতুন ব্যবস্থাপনা কোম্কানিটির বিদ্যমান সক্ষমতাকে কীভাবে কাজে লাগায় এবং উৎপাদন ও ব্যবসা সম্ক্রসারণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তার ওপর কোম্কানিটির ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করবে।
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মালিকানা পরিবর্তনের পর কোম্কানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে উন্নতি হলে তা ভবিষ্যতে কোম্কানির আর্থিক ফলাফল ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এসব পরিবর্তনের বাস্তব ফলাফল দেখতে হলে নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে কোম্কানির পরবর্তী কয়েকটি আর্থিক প্রতিবেদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
ডমিনেজ স্টিলের ক্ষেত্রে একই সময়ে মালিকানা, পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিদায়ী উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে থাকা ৩০ দশমিক ০১ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন মালিকানা কাঠামো তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় অংশ পেয়েছে আকিজ রিসোর্সেস। পাশাপাশি শেখ জসিম উদ্দিন ও ফারিয়া হোসাইনও উল্লেখযোগ্য শেয়ার পেয়েছেন।
এর পরই পুরোনো পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা বিদায় নিয়েছেন এবং নতুন পর্ষদ দায়িত্ব নিয়েছে। চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ জসিম উদ্দিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ফারিয়া হোসাইনের নেতৃত্বে এখন কোম্কানিটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আকিজ রিসোর্সেসের তিন মনোনীত পরিচালকও পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন।
তবে মালিকানা পরিবর্তনের পাশাপাশি আগের ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আইপিও অর্থ ব্যবহারে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ এবং মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এসব বিষয়ে বিএসইসির পরবর্তী পদক্ষেপ, এফআরসির কার্যক্রম এবং সিআইডির তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
এখন নতুন ব্যবস্থাপনার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে কোম্কানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে স্থিতিশীল করা, উৎপাদন পুরোপুরি চালু করা এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে কোম্কানিটির আর্থিক ও পরিচালনাগত তথ্য নিয়মিত প্রকাশ এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের মান বজায় রাখাও নতুন পর্ষদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
মালিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে ডমিনেজ স্টিল নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে কোম্কানিটি কতটা দ্রুত উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে গতি ফেরাতে পারে এবং আগের পরিচালনাগত সমস্যাগুলো কতটা কার্যকরভাবে কাটিয়ে উঠতে পারে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের।