আয় ছাড়াল ২৩ হাজার কোটি টাকা
বিএসআরএমের দুই কোম্পানি মুনাফায় নতুন উচ্চতায়
ছবি সংগৃহীত
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের দুই কোম্পানি বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড সম্মিলিতভাবে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে ১ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে। একই সময়ে কোম্পানি দুটির সম্মিলিত আয় দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪৮ কোটি টাকা। আগের হিসাব বছরের তুলনায় উভয় কোম্পানির আয় ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নগদ লভ্যাংশও বাড়িয়েছে কোম্পানি দুটি। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রকাশিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেড ৭০৩ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে। অন্যদিকে বিএসআরএম স্টিলসের নিট মুনাফা হয়েছে ৭১৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ দুই কোম্পানির মধ্যে নিট মুনাফার পরিমাণে এগিয়ে রয়েছে বিএসআরএম স্টিলস। তবে আয় ও মুনাফার পাশাপাশি কোম্পানি দুটির শেয়ারপ্রতি আয় এবং লভ্যাংশ ঘোষণার তথ্যও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেডের আয় আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ৪৩৫ কোটি টাকা। একই সময়ে বিএসআরএম স্টিলসের আয় বেড়েছে ২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। ফলে দুই কোম্পানির সম্মিলিত আয় আগের হিসাব বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আয় বৃদ্ধির সঙ্গে ইপিএস বাড়ায় কোম্পানি দুটির আর্থিক পারফরম্যান্সে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।
প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেডের আয় হয়েছে ১০ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আয় ছিল ৯ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৪৩৫ কোটি টাকা, যা প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।
কোম্পানিটির আয়ের এই বৃদ্ধি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্প্র্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। তবে আয় বৃদ্ধির পেছনে বিক্রির পরিমাণ, পণ্যের মূল্য, উৎপাদন ব্যয় কিংবা অন্যান্য পরিচালনাগত বিষয়ের কতটা অবদান রয়েছে, তা বিস্তারিত আর্থিক তথ্য ছাড়া নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এসব বিষয় বিশ্লেষণ করলে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
আয়ের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়েও উন্নতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে এ আয় ছিল ২০ টাকা ৫৭ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ২ টাকা ৯৭ পয়সা। শতকরা হিসাবে ইপিএসের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
আয় বৃদ্ধির তুলনায় ইপিএসের প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ায় কোম্পানিটির মুনাফা অর্জনের সক্ষমতা মূল্যায়নে অন্যান্য আর্থিক সূচকও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ইপিএসের এই পরিবর্তনকে এককভাবে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। উৎপাদন ব্যয়, অর্থায়ন ব্যয়, কর এবং অন্যান্য আয়-ব্যয়ের পরিবর্তনও নিট মুনাফা ও ইপিএসকে প্রভাবিত করতে পারে।
২০২৫-২৬ হিসাব বছরের ব্যবসায়িক ফলাফলের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিএসআরএম লিমিটেড। আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ফলে এক বছরের ব্যবধানে ঘোষিত লভ্যাংশের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ পয়েন্ট।
সাধারণভাবে ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার অর্থ হলো, প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ৫ টাকা ৫০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির নির্ধারিত রেকর্ড ডেটে শেয়ার ধারণ এবং প্রযোজ্য অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।
ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেওয়ার জন্য আগামী ১৭ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর।
এজিএমে শেয়ারহোল্ডাররা ঘোষিত লভ্যাংশসহ সভার আলোচ্যসূচিতে থাকা অন্যান্য বিষয়ে মতামত ও অনুমোদন দেবেন। কোম্পানির আর্থিক ফলাফল, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার ক্ষেত্রেও বার্ষিক সাধারণ সভা বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেডের ইপিএস হয়েছিল ২০ টাকা ৫৭ পয়সা, যা আগের ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ছিল ১৪ টাকা ৪৮ পয়সা। সে হিসাবে ২০২৪-২৫ হিসাব বছরেও কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। ধারাবাহিক দুই হিসাব বছরের ইপিএসের তথ্য কোম্পানিটির মুনাফার প্রবণতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে, বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডও সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে আয় ও শেয়ারপ্রতি আয়ে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কোম্পানিটির প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য হিসাব বছরে আয় হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আয় ছিল ১০ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা।
এক বছরের ব্যবধানে বিএসআরএম স্টিলসের আয় বেড়েছে ২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে এ প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ। দুই কোম্পানির মধ্যে আয়ের পরিমাণ ও প্রবৃদ্ধি—উভয় ক্ষেত্রেই বিএসআরএম স্টিলস এগিয়ে রয়েছে।
কোম্পানিটির আয়ের এই বৃদ্ধি প্রকৌশল খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আর্থিক পরিসর বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু মোট আয় বাড়লেই নিট মুনাফা একই হারে বাড়বে, এমন নয়। কাঁচামালের দাম, উৎপাদন ব্যয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ, পরিবহন ব্যয়, সুদ এবং করের মতো বিষয়গুলোও মুনাফার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম স্টিলসের ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে এ আয় ছিল ১৩ টাকা ৭৭ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৫ টাকা ২৬ পয়সা। শতকরা হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ।
আয়ের তুলনায় ইপিএসের প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ায় কোম্পানিটির মুনাফার পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের নজরে আসতে পারে। তবে এ প্রবৃদ্ধির প্রকৃত কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ আয়-ব্যয়ের হিসাব, পরিচালন মুনাফা, অর্থায়ন ব্যয় এবং কর-পরবর্তী মুনাফার বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা করেছে বিএসআরএম স্টিলস। আগের ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের হার বেড়েছে ১০ শতাংশ পয়েন্ট।
প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের হিসাবে ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের অর্থ প্রতি শেয়ারে ৬ টাকা নগদ দেওয়ার প্রস্তাব। তবে এ লভ্যাংশ কার্যকর হওয়ার জন্য কোম্পানির নির্ধারিত প্রক্রিয়া ও শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন প্রযোজ্য হবে।
ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য আলোচ্যসূচিতে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এজিএম আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর।
নগদ লভ্যাংশের হার বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু লভ্যাংশের হার বিবেচনা করা যথেষ্ট নয়। শেয়ারের বাজারদর, কোম্পানির আয়, ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা, নগদ প্রবাহ এবং আর্থিক ঝুঁকির বিষয়গুলোও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একইভাবে ঘোষিত লভ্যাংশের হার ও বাজারদরের অনুপাত বিবেচনা করলে বিনিয়োগকারীরা সম্ভাব্য লভ্যাংশ আয়ের একটি তুলনামূলক ধারণা পেতে পারেন।
বিএসআরএম স্টিলসের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ১৩ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে এ আয় ছিল ১০ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ ওই হিসাব বছরেও কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছিল।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। একই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছিল ৯০ টাকা ৫২ পয়সা।
শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য একটি কোম্পানির মোট নিট সম্পদকে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের সংখ্যার বিপরীতে প্রকাশ করে। তবে এ সূচককে সরাসরি শেয়ারের বাজারমূল্য বা ভবিষ্যৎ মুনাফার নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। কোম্পানির বাজারদর, মুনাফা অর্জনের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিস্থিতির সঙ্গে এনএভিপিএস মিলিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলসের সম্মিলিত আয় দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪৮ কোটি টাকা। আগের হিসাব বছরে দুই কোম্পানির আয় ছিল মোট ২০ হাজার ৩১ কোটি টাকা। সে হিসাবে সম্মিলিত আয় বেড়েছে ৩ হাজার ১৭ কোটি টাকা, যা প্রায় ১৫ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।
একই সময়ে দুই কোম্পানির সম্মিলিত নিট মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিএসআরএম লিমিটেডের অবদান ৭০৩ কোটি টাকা এবং বিএসআরএম স্টিলসের অবদান ৭১৫ কোটি টাকা। নিট মুনাফার পরিমাণে বিএসআরএম স্টিলস সামান্য এগিয়ে থাকলেও দুই কোম্পানিই ৭০০ কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে।
সম্মিলিত আয় ও মুনাফার এই চিত্র পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতের বড় দুই তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক কার্যক্রমের ব্যাপ্তি তুলে ধরে। তবে দুই কোম্পানির ব্যবসায়িক কাঠামো, উৎপাদন কার্যক্রম, ব্যয় এবং মূলধনের ধরন এক নয়। তাই তাদের আর্থিক পারফরম্যান্স তুলনা করতে হলে আয় ও মুনাফার পাশাপাশি মুনাফার হার, নগদ প্রবাহ, ঋণ, বিনিয়োগ এবং মূলধনের দক্ষ ব্যবহারও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীরা সাধারণত ইপিএস, নিট মুনাফা, লভ্যাংশ এবং এনএভিপিএসের মতো সূচক পর্যালোচনা করেন। বিএসআরএম লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলসের সর্বশেষ হিসাব বছরের তথ্যেও এসব সূচকের পরিবর্তন লক্ষণীয়।
বিএসআরএম লিমিটেডের ক্ষেত্রে আয় প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়লেও ইপিএস বেড়েছে প্রায় ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে বিএসআরএম স্টিলসের আয় প্রায় ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ইপিএস প্রায় ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি কোম্পানি দুটি আগের হিসাব বছরের তুলনায় বেশি নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
তবে এসব আর্থিক সূচক ইতিবাচক হলেও শেয়ারের ভবিষ্যৎ বাজারদর সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেয় না। পুঁজিবাজারে সামগ্রিক পরিস্থিতি, সুদের হার, কাঁচামালের মূল্য, শিল্প খাতের চাহিদা, কোম্পানির উৎপাদন ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা শেয়ারের মূল্যায়নে প্রভাব ফেলতে পারে।
২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিএসআরএম লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলসের আয়, ইপিএস ও নগদ লভ্যাংশের তথ্য কোম্পানি দুটির আর্থিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে। এখন বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানি দুটির পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বিবরণী, নগদ প্রবাহ এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।