মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

নূর হোসেন মামুন, চট্টগ্রাম 

প্রকাশ: ২৩:৩০, ৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৩২, ৬ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাই ইকোনমিক জোন 

২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে র‌্যানকন লুব্রিকেন্ট

২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে র‌্যানকন লুব্রিকেন্ট

শেয়ার বিজ

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে এবং লুব্রিকেন্ট শিল্পে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল মিরসরাইয়ে এক মেগা প্রকল্প নিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী র্যানকন লুব্রিকেন্টস লিমিটেড।
আন্তর্জাতিক মানের লুব্রিকেন্ট উৎপাদন কারখানা স্থাপনে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা  বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ধরে) বিনিয়োগ করবে। ৬ দশমিক ৫ একর জমিতে স্থাপিতব্য এ কারখানায় বছরে প্রাথমিকভাবে ২ কোটি ৫০ লাখ লিটার লুব্রিকেন্ট উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ২৫০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, গুদামজাতকরণ, বিপণন ও কারিগরি সেবায় পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।
এ বিনিয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, র্যানকন এতদিন যে লুব্রিকেন্ট আমদানি করে দেশের বাজারে সরবরাহ করত, এখন সেই ব্যবসার একটি বড় অংশ স্থানীয় উৎপাদন ব্যবস্থায় নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কারখানায় বিদেশ থেকে বেস অয়েলসহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এনে দেশে লুব্রিকেন্ট মিশ্রণ ও উৎপাদন করা হবে। ফলে আমদানিনির্ভর বাজারে স্থানীয় উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হবে।
সোমবার ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও র্যানকন লুব্রিকেন্টস লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) নাহিয়ান রহমান রোচি এবং র্যানকন লুব্রিকেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান জামান খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, জমি হস্তান্তরের তারিখ থেকে ৫০ বছরের জন্য জমি ইজারা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ইজাদার মেয়াদ নবায়নের সুযোগ থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৯০ দিনের মধ্যে র্যানকনকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে। জমি বুঝে পাওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে কারখানা নির্মাণ শুরু এবং ৩৬ মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
র্যানকন লুব্রিকেন্টসের প্রকল্প সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপক আল-আমিন তালুকদার জানান, কারখানাটিতে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও পরীক্ষাগার সুবিধা থাকবে। এসব সুবিধার মাধ্যমে উৎপাদিত লুব্রিকেন্টের মান নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, কারখানাটিতে সড়কপথে বেস অয়েল গ্রহণের পাশাপাশি পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জাহাজ থেকেও বেস অয়েল গ্রহণের সুবিধা থাকবে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত একটি ব্র্যান্ডের উচ্চমানের লুব্রিকেন্ট এ কারখানায় উৎপাদন করা হবে।
র্যানকনের প্রস্তাবিত শিল্প ইউনিটের প্রাথমিক বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা হবে ২ কোটি ৫০ লাখ লিটার। এখানে মোটরগাড়ি ও শিল্পকারখানায় ব্যবহারের লুব্রিকেন্টের পাশাপাশি গিয়ার অয়েল, তাপ পরিবাহী তেল, কমেপ্রসর অয়েল, ট্রান্সফরমার অয়েল এবং গ্রিজ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। কারখানায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পরীক্ষাগার সুবিধা রাখার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কারখানায় সড়কপথে বেস অয়েল আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাহাজ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বেস অয়েল গ্রহণের সুবিধাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কাঁচামাল সরবরাহের জন্য একটি সমন্বিত সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
লুব্রিকেন্ট ব্যবসায় র্যানকনের অভিজ্ঞতা নতুন নয়। র্যানকন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান র্যাংকস পেট্রোলিয়াম ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশে শেল লুব্রিকেন্টের ম্যাক্রো ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করছে। অর্থাৎ দেশে লুব্রিকেন্ট বাজারজাতকরণ ও বিতরণে প্রতিষ্ঠানটির দুই দশকের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
র্যানকন গ্রুপের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে যাত্রা শুরু করা এ শিল্পগোষ্ঠী বর্তমানে মোটরগাড়ি, ইলেকট্রনিকস, আবাসন, মোটরসাইকেল, সামুদ্রিক খাদ্য, টেলিযোগাযোগ, নিরাপত্তা সেবা ও লুব্রিকেন্টসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। লুব্রিকেন্ট ব্যবসায় শেল-এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সামপ্রতিক সময়ে ফরাসি ব্র্যান্ড মোটুলের বাজারজাত কার্যক্রমও শুরু করেছে।
ফলে মিরসরাইয়ের এ প্রকল্পকে শুধু একটি নতুন কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ হিসেবে দেখলে এর ব্যাপ্তি পুরোপুরি বোঝা যাবে না। দীর্ঘদিনের আমদানি, বাজারজাতকরণ ও বিতরণ অভিজ্ঞতার পর র্যানকন এখন স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির দিকে যাচ্ছে। এতে দেশে লুব্রিকেন্ট শিল্পের সরবরাহব্যবস্থায় স্থানীয় মূল্য সংযোজনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে দেশে লুব্রিকেন্টের একটি বড় অংশ আমদানিনির্ভর। র্যানকনের নতুন কারখানার মাধ্যমে প্রস্তুত লুব্রিকেন্টের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করে দেশে তা প্রক্রিয়াজাত ও মিশ্রণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, প্যাকেজিং ও সরবরাহ কার্যক্রম বাড়বে। ইনভেস্ট বাংলাদেশও জানিয়েছে, নতুন কারখানার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজারের জন্য কাঁচামাল আমদানি করে দেশে লুব্রিকেন্ট মিশ্রণ করবে।
বিনিয়োগের পুরো প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার শুধু জমি ও কারখানা নির্মাণে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং উৎপাদন শুরু হলে কাঁচামাল পরিবহন, সংরক্ষণ, উৎপাদন, মান পরীক্ষা, প্যাকেজিং, গুদামজাতকরণ এবং দেশজুড়ে সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সেবা খাতেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পটির মাধ্যমে সরাসরি ২৫০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কারখানার উৎপাদন, প্রকৌশল, মান নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষাগার, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশাসন, নিরাপত্তা, গুদাম ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ধরনের দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনবল প্রয়োজন হবে।
এর বাইরে কাঁচামাল পরিবহন, পণ্য পরিবহন, প্যাকেজিং, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, স্থানীয় সরবরাহকারী এবং বিতরণ নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরিহওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব পরোক্ষ কর্মসংস্থানের নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
র্যানকনের বিনিয়োগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর অবস্থান। জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনী এলাকার বিস্তৃত শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। প্রকল্পটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট পরিকল্পিত আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার ৮০৫ একর। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার। সড়ক, বন্দর, রেল ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সংযোগকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটিকে একটি বড় শিল্প ও সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনায় এ শিল্পাঞ্চলে বড় পরিসরে শিল্প ও বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, পুরো শিল্পাঞ্চলে আগামী ১৫ বছরে প্রায় ১৫ লাখ কর্মসংস্থান এবং ১৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই বৃহৎ শিল্পাঞ্চলে র্যানকনের মতো স্থানীয় বড় শিল্পগোষ্ঠীর নতুন বিনিয়োগের ফলে শিল্পের বৈচিত্র্যও বাড়বে। পোশাক, ইস্পাত, খাদ্য, রাসায়নিক ও অন্যান্য শিল্পের পাশাপাশি লুব্রিকেন্ট উৎপাদনের মতো শিল্প স্থাপিত হলে স্থানীয় শিল্পকারখানাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় শিল্প উপকরণের সরবরাহব্যবস্থাও আরও বিস্তৃত হতে পারে।
প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সরাসরি দেশের শিল্প সক্ষমতা বাড়াবে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বাড়লে প্রস্তুত লুব্রিকেন্ট আমদানির পরিবর্তে দেশে কাঁচামাল এনে মূল্য সংযোজনের সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সেবা খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে মোটরগাড়ি, মোটরসাইকেল, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে লুব্রিকেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প উপকরণ। নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হলে এসব খাতের জন্য দেশের ভেতর থেকেই সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
একই সঙ্গে মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষাগার সুবিধা থাকলে দেশে লুব্রিকেন্ট উৎপাদনের কারিগরি সক্ষমতাও বাড়বে। দীর্ঘ মেয়াদে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে আমদানি কতটা কমবে বা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পরিমাণ কত হবে, তা উৎপাদন শুরু হওয়ার পর প্রকৃত উৎপাদন ও বিক্রয় তথ্যের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের জন্য এ প্রকল্পের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তিনটি বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাকে একীভূত করার পর এটিই নতুন প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ভূমি ইজারা চুক্তি। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য নাহিয়ান রহমান রোচি বলেছেন, র্যানকনের মতো বিনিয়োগকারীর এ প্রতিশ্রুতি নতুন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার প্রতিফলন এবং অন্য বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করতে পারে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগের ফলে অন্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও মিরসরাইয়ের শিল্পাঞ্চল সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে অবকাঠামো, ইউটিলিটি, বন্দরসংযোগ ও বড় বাজারের কাছাকাছি অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে মিরসরাইকে উৎপাদন ও সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে এ বিনিয়োগের মিল রয়েছে।
প্রকল্পটিতে শুধু বিনিয়োগ ও উৎপাদনের বিষয় নয়, পরিবেশগত ব্যবস্থাপনাকেও চুক্তির আওতায় রাখা হয়েছে। র্যানকনকে নিজস্ব বজর্্য ও পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার স্থাপন করতে হবে এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাধারণ বর্জ্য ও তরল বজর্্য শোধনব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শ্রম, পরিবেশ ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিধিবিধানও মেনে চলতে হবে।
এতে শিল্প উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশসম্মত কারখানা পরিচালনার বিষয়টিও প্রকল্পের অংশ হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি ও চুক্তির শর্তপালন পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সব মিলিয়ে মিরসরাইয়ে র্যানকনের প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ দেশের লুব্রিকেন্ট ব্যবসায় আমদানি ও বাজারজাতকরণনির্ভরতা থেকে স্থানীয় উৎপাদনের দিকে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দুই দশকের বেশি সময় ধরে লুব্রিকেন্ট বাজারজাতকরণের অভিজ্ঞতা থাকা একটি শিল্পগোষ্ঠী এবার উৎপাদন অবকাঠামোয় বড় বিনিয়োগ করছে। ৬ দশমিক ৫ একর জমিতে ২ কোটি ৫০ লাখ লিটার বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতার এ কারখানা চালু হলে সরাসরি কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি কাঁচামাল, পরিবহন, সরবরাহ, প্যাকেজিং ও বিতরণ ব্যবস্থায় নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও আরও বৈচিত্র্যময় শিল্পভিত্তি পাবে।