বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

​​​​​​​নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১:৪৭, ২৮ আগস্ট ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

নিরাপদ পানিতে সরকারি ব্যয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ

নিরাপদ পানিতে সরকারি ব্যয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ

ছবি সংগৃহীত

নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে এখনো বড় ঘাটতিতে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মাত্র শূন্য দশমিক ২১৫ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের প্রায় ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ পানি খাতে ব্যয় হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় এই বরাদ্দ ও ব্যয়কে অপ্রতুল হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, দক্ষিণ এশিয়ার পানি খাতে বড় ধরনের ব্যয়ের ঘাটতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বিশ্বব্যাংকের ‘নিরাপদ পানি ভবিষ্যতের জন্য অর্থায়ন: বৈশ্বিক সরকারি ব্যয়ের মূল্যায়ন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পানি খাতে সরকারি ব্যয় ও অর্থায়নের চিত্র উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটন থেকে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। পানি খাতে সরকারি ব্যয়, অর্থায়ন ঘাটতি, বাজেট বাস্তবায়ন এবং ব্যয়ের দক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি বৈশ্বিক মূল্যায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পানি খাতে বছরে মোট সরকারি ব্যয় প্রায় ১৬৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য প্রতিবছর অতিরিক্ত ১৩১ দশমিক ৪ থেকে ১৪০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। অর্থাৎ বিদ্যমান সরকারি ব্যয়ের তুলনায় প্রয়োজনীয় অর্থের ঘাটতি বিশাল। এর সঙ্গে অর্থ বরাদ্দের পর তা পুরোপুরি এবং কার্যকরভাবে ব্যয় করতে না পারার সমস্যাও রয়েছে।

বাংলাদেশের চিত্রও খুব আশাব্যঞ্জক নয়। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, পানি খাতে বাংলাদেশে মাথাপিছু বার্ষিক সরকারি ব্যয় ৩ দশমিক ৩২ ডলার। এর মধ্যে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন খাতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৫০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই ব্যয় দেশের জিডিপির শূন্য দশমিক ২০৩ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১ দশমিক ৪৮৬ শতাংশের সমান। শুধু পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন খাতে মাথাপিছু ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ৩ দশমিক ১৪ ডলার।

এই হিসাব বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার বাস্তব চ্যালেঞ্জের তুলনায় সরকারি বিনিয়োগ কতটা সীমিত, তা স্পষ্ট করে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, শিল্পায়ন, পানিদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নিরাপদ পানির চাহিদা বাড়ছে। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, লবণাক্ততা, নদী ও জলাশয় দূষণ এবং অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় নতুন নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে শুধু অর্থের ঘাটতিকেই সমস্যা হিসেবে দেখা হয়নি। বরাদ্দকৃত অর্থ কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উঠে এসেছে। সংস্থাটির হিসাবে, বিশ্বব্যাপী পানি খাতে সরকারি বাজেট বাস্তবায়নের গড় হার প্রায় ৭২ শতাংশ। অর্থাৎ বিভিন্ন দেশে পানি খাতে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নির্ধারিত সময়ে এবং নির্ধারিত কাজে ব্যয় করা সম্ভব হয় না।

বাংলাদেশের জন্য এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পানি ও স্যানিটেশন খাতে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। প্রকল্প গ্রহণ থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন, অর্থ ব্যবস্থাপনা, ক্রয় প্রক্রিয়া, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেবার মান—প্রতিটি পর্যায়ে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। কোনো প্রকল্পে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ হলেও সেটি যদি সময়মতো বাস্তবায়িত না হয় কিংবা কাঙ্ক্ষিত জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছাতে না পারে, তাহলে সেই বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাংক পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপরও জোর দিয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিরাপদ পানির উৎস, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এখনো অনেক ক্ষেত্রে সীমিত। ফলে এসব এলাকায় বিনিয়োগের সুফল শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাবে না, একই সঙ্গে মানুষের কর্মক্ষমতা ও জীবনমানও বাড়াতে পারে।

শহরাঞ্চলেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়। দ্রুত নগরায়ণের কারণে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, নদী-খাল দূষণ এবং অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে পানি নিরাপত্তা ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হচ্ছে।

ঢাকার চারপাশের নদী ও জলাশয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে শিল্পবর্জ্য, পয়োনিষ্কাশন ও কঠিন বর্জ্য দূষণের শিকার। ফলে একদিকে পানির উৎসের মান কমছে, অন্যদিকে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য পরিশোধন ব্যয় বাড়ছে। পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে নিরাপদ পানি সরবরাহের ব্যয় আরও বাড়তে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার ওপর আরেকটি বড় চাপ তৈরি করছে। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, অতিবৃষ্টি ও বন্যা, নদীভাঙন, খরা এবং দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পরিবর্তন নিরাপদ পানির উৎসকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট এখন অনেক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। ফলে জলবায়ু সহনশীল পানি অবকাঠামো তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

পানি নিরাপত্তার সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের সম্পর্কও সরাসরি। দূষিত পানি ও অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে একদিকে পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে, অন্যদিকে কর্মক্ষম মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাজীবনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বিশেষ করে স্কুল পর্যায়ে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থার ঘাটতি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করছে। বাংলাদেশের কিশোরীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও স্পষ্ট। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, নিরাপদ ও উপযোগী টয়লেট সুবিধার অভাবে মাসিকের সময় কিশোরীরা তাদের প্রায় ২০ শতাংশ ক্লাস মিস করে। অর্থাৎ পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামোর ঘাটতি শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে না, এটি শিক্ষায় অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নেও প্রভাব ফেলছে।

এ কারণে পানি খাতে বিনিয়োগকে শুধু অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থার উন্নয়নকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বিতভাবে দেখতে হবে।

বিশ্বব্যাংক পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে। পানি সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে শুধু নতুন অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়; পুরোনো অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ, পানির অপচয় কমানো, সেবার মান উন্নয়ন এবং পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করাও জরুরি। পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা থাকলে বড় অঙ্কের সরকারি বিনিয়োগের পরও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন।

প্রতিবেদনে অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা উন্নত করার কথাও বলা হয়েছে। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশে পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। পানি ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ, পানির মান পর্যবেক্ষণ, লিকেজ শনাক্তকরণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পর্যবেক্ষণ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে পানি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। সরকারের একার পক্ষে বিপুল অর্থের প্রয়োজন মেটানো কঠিন হওয়ায় উপযুক্ত নীতিমালা ও স্বচ্ছ কাঠামোর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তবে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে সেবা রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। পানি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন হওয়ায় শুধু বিনিয়োগের পরিমাণ নয়, সেবার সামর্থ্য ও ন্যায্য বণ্টনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

বিশ্বব্যাংক পানি খাতে তথ্যের স্বচ্ছতা, দক্ষ জনবল এবং জবাবদিহি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে। প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কত টাকা ব্যয় হয়েছে, প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে এবং বাস্তবে কত মানুষ সুবিধা পেয়েছে—এসব তথ্য সহজে যাচাই করা গেলে সরকারি বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব।

বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়। পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, নগর উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে পানি ব্যবস্থাপনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এসব কার্যক্রম বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হলে একই এলাকায় একাধিক প্রকল্প নেওয়া কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমস্যা উপেক্ষিত থাকার ঝুঁকি তৈরি হয়।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের আলোকে বাংলাদেশের জন্য তাই শুধু পানি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; বরাদ্দের গুণগত ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। বিশেষ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা কমানো, ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রকল্পের ফলাফল পরিমাপের ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়ায় পানি খাতে বড় ধরনের ব্যয়ের ঘাটতি থাকায় বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ আরও বড়। কারণ এই অঞ্চলের অনেক দেশই জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানির সীমিত সম্পদের চাপ মোকাবিলা করছে। বাংলাদেশে এসব ঝুঁকির সঙ্গে ঘনবসতি ও ভৌগোলিক বাস্তবতাও যুক্ত হয়েছে।

পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আর কেবল জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশগত বিষয় নয়। এর সঙ্গে দেশের খাদ্য উৎপাদন, শিল্পায়ন, নগরায়ণ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সরাসরি সম্পর্কিত। নিরাপদ পানি সরবরাহে ঘাটতি বাড়লে ভবিষ্যতে এর অর্থনৈতিক ব্যয়ও বাড়তে পারে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন তাই বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—পানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, কিন্তু সেই বিনিয়োগের কার্যকারিতাও নিশ্চিত করতে হবে। দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার, টেকসই অবকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ প্রতিষ্ঠান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয় ছাড়া পানি নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জন কঠিন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনকে আরও বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া এখন সময়ের দাবি। কারণ পানি খাতে আজকের বিনিয়োগ শুধু বর্তমানের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উৎপাদনশীলতা এবং জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতির ভিত্তিও শক্তিশালী করবে।